Wednesday, August 24, 2016

মন ভালো করতে খাবার 
/সফিকুল ইসলাম সাদী/আগস্ট ২০১৬, ০৮:৩৯

বিষণ্নতা কাটানোর উপায় কী? ব্যায়াম বা সবুজ প্রকৃতির মধ্যে হেঁটে বেড়ালে নেতিবাচক মনোভাব দূর হয়, এটা বিশেষজ্ঞ মত। তবে বিষণ্নতা পুরোপুরি দূর হয় না সহজে। এর জন্য মেডিটেশন শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশ্বাস করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। বিষণ্নতা বা মন খারাপের টোটকা হিসেবে কাজ করে আরেকটি বিষয়। আর তা হলো খাবার!
ওমেগা থ্রি, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন ‘বি’, ভিটামিন ‘ডি’, মিনারেল, ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন-খাদ্যের এই উপাদানগুলো মানসিকভাবে চাঙা রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। জলপাইয়ের তেল, সবুজ শাক-সবজিতে এই উপাদানগুলো প্রচুর পরিমাণে মেলে। প্রায় ১০ বছরে ১৫ হাজার মানুষের ওপর চালানো এক পরীক্ষায় এর প্রমাণও পাওয়া গেছে। যাঁরা এসব খাবার প্রতিদিনের ডায়েট তালিকায় রেখেছেন, তাঁরা বিষণ্নতায় কম ভুগেছেন। জীবনকে অন্যদের তুলনায় ভালোভাবে উপভোগ করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ মেলিসা ব্রুনেটি মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে সকালের নাশতার ওপরেও জোর দিয়েছেন। ডিম, স্প্রাউট, টোস্ট ও হালকা থেঁতলানো অ্যাভোকাডো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ডিমের ফ্যাটি অ্যাসিড অনেকটা জাদুর মতোই কাজ করে। যাঁদের চকলেট পছন্দ, নিশ্চিন্ত মনে খান। কেউ বাধা দিলেই মন খারাপের অজুহাত দেখিয়ে দেবেন। এ ছাড়া ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখলেও মন ভালো থাকে। 
দিনে তিনবার মূল খাবারের মধ্যে হালকা স্ন্যাক্স, ব্যায়ামের আগে ও পরেও হালকা খাবার খাওয়া দরকার। না হলে রক্তে শর্করা কমে গেলে মনে বিরক্তির উদ্রেক হয়। এ কারণে ডাল, রেড মিট, মিষ্টি আলু ও শাক খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 
বিষণ্নতা দূর করতে চিকিৎসার আগে খাবারের দিকে মনোযোগ দিন। এ ছাড়া মস্তিষ্কেরও পুষ্টি দরকার। এই পুষ্টি খাবারের মধ্যে দিয়ে না পেলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। হরমোন ও ব্লাড সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

No comments:

Post a Comment